অবসাদ দূর করতে – হাঁটা ( কতক্ষণ হাঁটবো / কত দূর হাঁটবো/ কখন হাঁটবো/ হাঁটার উপকারিতা কি )

walking 2

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৭ তে স্বাস্থ্য দিবস ছিল অবসাদ । সত্যিই আজকের যুগে অবসাদ একটি বড় সমস্যা । কারণ মনে হয় অত্যাধিক মানসিক চাপ ও বন্ধুত্বের ( Face book friend নয় ) অভাব । এক এক সময় অবসাদ মানুষকে মৃত্যুর দিকে পর্যন্ত ঠেলে দিচ্ছে । এর থেকে বাঁচার জন্য চাই প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম এবং একাকিত্ব দূর করতে প্রকৃত বন্ধুর সঙ্গ বা গান বাজনার অভ্যাস করা । সবচেয়ে সহজ এবং বিনা পয়সার সব বয়সের মানুষের জন্য ব্যায়াম হল হাঁটা । গান শুনতে শুনতে বা ভাল কিছু চিন্তা করতে করতে হাঁটা হোল সবচেয়ে ভাল।হাঁটা , অ্যারোবিক ব্যায়ামের মধ্যে পরে যার সাথে তুলনা করা যায় সাইক্লিং, সাতার, হাইকিং, টেনিস, ফুটবল ইত্যাদি খেলা হাঁটার সব চেয়ে বড় সুবিধা–এটির জন্যে বাড়তি কোনো যন্ত্রপাতি বা কোনো ব্যায়ামের উপকরণ লাগে না

শুধু কি ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার, হৃদরোগ হলেই হাঁটব

নিয়মিত হাঁটাকে রোগ প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসাবে মনে করে সুস্থ অবস্থা থেকেই হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিৎ। অথচ আমরা হাঁটি তখনই, যখন ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার, হৃদরোগ ইত্যাদি অসুখ ধরা পড়ে এবং যখন ডাক্তার বলেন যে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি আপনাকে হাঁটতে হবে, তখন আমরা হাঁটি। পারলে দৌড়ানোর চেষ্টা করি।কিন্তু অসুখ হলেই হাঁটব এটা ঠিক নয়।সব সুস্থ মানুষের সুস্থতাকে ধরে রাখার জন্য হাঁটা আবশ্যক।

নিয়মিত নিদিষ্ট সময় ধরে হাঁটলে কি কি উপকার হয়

  • অবসাদ ও টেনশন কমাতে দারুন কাজ দেয়

  • উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

  • রক্তে সুগার এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে রাখে

  • শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে শরীরকে অফুরন্ত শক্তি যোগায়

  • শরীরের সমস্ত মাংসপেশীকে সচল রাখে এবং শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমায়

  • তারুণ্য ধরে রাখে এবং ঘুম ভাল হয়

  • হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায়

  • মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়

সপ্তাহে কতদিন ও কতক্ষণ হাঁটবেন

সপ্তাহে ৪ থেকে ৬ দিন হাঁটতে পারলে ভাল । কতটা হাঁটব তারথেকে বড় হল কতক্ষণ হাঁটবো । ডাক্তারের কোন বারন না থাকলে সাধারণত ৪৫ মিনিট থেকে ৬০ মিনিট হাঁটা ভাল ।

কোথায় হাঁটবেন

নিঃসন্দেহে সুন্দর, দূষণ মুক্ত, মনোরম পরিবেশে্‌ , পরিষ্কার ,মান জায়গায় হাঁটতে পারলে সবচেয়ে ভাল লাগবে । নাহলে যে কোন জায়গায় সেটা হতে পারে বাড়ির বাগান, পার্ক , পরিষ্কার ফুটপাতে বা যেকোনো খোলা জায়গায় । মাঝে মাঝে হাঁটার রাস্তা বা জায়গা বদল করলে একঘেয়েমি কাঁটবে।

হাঁটার গতি কেমন হবে

হাঁটার গতি নির্ভর করবে শরীরের ওজন ও সুস্থতার উপর । একটা জিনিষ শুধু মনে রাখতে হবে যেন শরীর ক্লান্ত না লাগে বা নাড়ির গতি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি না পায় । অসুবিধা না হলে হাঁটার গতি হতে পারে গড়ে প্রতি মিনিটে ৮০ থেকে ১৩০ স্টেপ বা ৫০ থেকে ৮০ মিটার বা ১৬০ ফুট থেকে ২৬০ ফুট । শরীরকে কষ্ট দিয়ে কক্ষনও হাঁটবো না । প্রথম প্রথম ধীরে ধীরে শুরু করে তারপর ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো যেতে পারে ।

হাঁটার আগে / পরে / মধ্যে জল খাওয়া উচিৎ কিনা

একটা জিনিষ সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যে শরীর যেন কক্ষনও জলের অভাব বোধ না করে । সেই বুজে হাঁটার আগে , পরে বা মধ্যে জল খাওয়া যেতে পারে । এত বেশি করে নিশ্চয় জল খাবো না যাতে হাঁটলে শরীরের কষ্ট হয় ।

কখন হাঁটবো

যে কোন সময়ই হাঁটা যায় কিন্তু একই সময়ে প্রতিদিন হাঁটলে শরীরে ভাল কাজ দেয় । করা রৌদ্রতে হাঁটা খুবই কষ্টদায়ক তাই বাইরে হাঁটলে রোঁদ উঠার আগে বা পরে হাঁটা যেতে পারে ।দূষণ মুক্ত আবহাওয়ায় বিকালের পর হাঁটা সবচেয়ে ভাল। কারণ সারাদিনের কাজকর্মের পর শরীরের মাংসপেশী নরম থাকে এবং শরীরের তাপমাত্রা অনুকূলে থাকে তারফলে আর ওয়ার্ম আপ করার প্রয়োজন লাগে না। বিশেষ করে শীত কালে । কিন্তু যেখানে বিকালে পরিবেশ দূষণের মাত্রা বেড়ে যায় সেখানে অবশ্যই সকালে হাঁটা ভাল । একটা কথা স্পষ্টভাবে বলা যেতে পারে যে যখনই সময় পাবেন হেঁটে নেওয়া ভাল তবে চেষ্টা করুন প্রতিদিন একই সময়ে হাঁটতে ।

হাঁটার সময় শ্বাসপ্রশ্বাস কেমন হবে

একদম স্বাভাবিক । তবে মাঝে মাঝে পেটটা একটু ভিতরের দিকে টেনে নাক দিয়ে জোরে শ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে ছাড়লে ভাল ।

যারা হাঁটাকে ব্যায়াম হিসাবে গ্রহণ করবে না

  • যে সকল মানুষ অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করে

  • যে সকল মানুষ পরিমিত খাবার পায় না

  • যে সকল মানুষকে ডাক্তার বারন করেছে

walking

আসুন, আমরা নিয়মিত হাঁটা হাঁটির মাধ্যমে সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন লাভ করার চেষ্টা করি।

 

Advertisements

FEW IMPORTANT INFORMATION ON BANKING TRANSACTION IN INDIA

Bank

GENERAL:

  • Register your Mobile Number with Bank as early as possible for getting SMS for all transactions .

  • Regular check your transactions by updating your passbook or from statement of accounts by using ATM/Internet Banking / Mobile Banking.

  • Register Nomination at the time of opening deposit account (including fixed deposit) or Locker.

  • Nomination can be entertained for payments of balance in the case of death of all the joint account holders.

  • Keep your Cheque book/ Credit Card/ Debit Card at a secure location when not in use so that you may immediately know if it is missing.

  • If your cheque book is lost or stolen immediately contact your bank and inform the loss.

  • Do not sign blank cheques, only sign cheques after all details have been completed.

  • Do not leave gaps in the completion of the payee name, amount in words and in figures.

  • For dishonour of cheque for insufficiency of funds in the account , the drawer may be punished with Imprisonment for a term which may be extended to two years or with fine which may extend to twice the amount of the cheque or with both .

  • If possible always try to open joint account instead of opening single account.

  • On the death of any of the joint account holders, the survivors are entitled to the whole amount.

  • Any individual aged 10 years and above either singly or jointly can open deposit account .

  • You can take demand loan or overdraft against 90% of your fixed deposit amount alongwith accrued interest on it.

TIME DEPOSIT :

  • Submit your 15 G or 15 H form at the time of opening account and following in the month of April every year .

  • you must submit at each branch of the bank from which you will receive interest income. Although, TDS is deducted when total interest earned from all branches exceeds Rs 10,000 in total.

  • Form 15G and Form 15H are valid for one financial year. So you have to submit these forms every year if you are eligible. Submitting them as soon as the financial year starts will ensure the bank does not deduct any TDS on your interest income.

  • Form 15H is for senior citizens, those who are 60 years or older; while Form 15G is for everybody else.

  • If the time deposit is renewed and no fresh nomination is exercised, in this case earlier nomination will remain in force.

  • Accounts may be opened by individuals or firms or corporates or by designated institution

  • Amount is repayable on maturity. Banks issue deposits with maturity from seven days to 120 months.

  • Deposits are kept for a fixed period but could be withdrawn before maturity .

  • The interest is cumulative on quarterly rests. Interest can be taken monthly, quarterly, half yearly, yearly and reinvested basis.

PENSIONER :

  • All pensioners should open joint account with his/her spouse.

  • All pensioners should submit life certificate in the month of November every year . The Pensioner is not required to visit the pension paying branch in November every year for giving his/her Life Certificate. Aadhaar based authentication of Life certificate can be submitted online through Jeevan Praman Portal by the pensioner which is being accepted as Life Certificate, in addition to existing ways of submitting the Life Certificate.

CASH :

  • Don’t write anything on currency note.

  • Always try not to fold the currency note.

  • Always should do away with stapling of any note packet

DEBIT (ATM) / CREDIT CARD:

  • Once you complete your transacrion, before leaving , be sure that ‘Welcome screen’ is displayed in the ATM and it is scrolling.

  • If your Credit/ Debit (ATM) card is lost or stolen immediately hot list the card through Toll Free number provided by Bank.

  • Sign on the strip on the back of your card as soon as you receive it.

  • Destroy the PIN as soon as you receive it.

  • Don’t disclose details like Passwords, Card number, Grid values, CVV number etc to anyone even if they claim to be Bank employees or on E-mail/Links from Government bodies like RBI, IT Dept.,etc.

  • Always change the PIN as soon as you receive it.

  • Don’t save confidential information such as your Debit/Credit Card number, CVV number or PIN on your mobile phone.

  • Change your password regularly.

  • Debit Card can also be blocked/ unblocked through Mobile Banking by Cardholder as many number of times as desired .

  • When you destroy your card upon expiry or closure of your account , cut it into pieces through the Magnetic strip.

INTERNET/ MOBILE BANKING

  • Before entering the user Id and password on online banking, ensure that the page/address bar displayed an https://not http://. Also see the lock sign

  • Change the system generated password when you first login on online banking, even if system does not prompt for automatic change.

  • Change the password as soon as you feel that somebody has noticed the same while using the internet Banking/ Mobile Banking.

DETAILS YOU NEED TO GIVE WHILE REQUESTING FOR NEFT/RTGS TRANSFER:

  • Your bank account number with bank

  • The amount to be remitted

  • Beneficiary’s name

  • Beneficiary’s bank’s and branch’s name

  • Beneficiary’s account number

  • IFS code of bank branch of beneficiary

IMMEDIATE PAYMENT SERVICE (IMPS)

  • One can transfer money instantly within banks across India through Mobile, Internet and ATMs

  • This facility is available 24 x 7 x 365

Repay the loan in time . Please don’t be selfish to make yourself as wilful defaulter.

INDEX AS ON 20/05/2018 ( DETAILS OF ALL ARTICLES / INFORMATION / VIDEOS WRITTEN/ PREPARED BY ME )

INDEX

GO TO SEARCH( Search-button  )AND GET THE ARTICLE YOU WANT TO VIEW

  1. গোলমরিচ / গোলমরিচের ইতিহাস /কি কি আছে গোলমরিচে /গোলমরিচ ঝাল হয় কেন / গোলমরিচের উপকারিতা /গোলমরিচ ব্যবহারের সাবধানতা
  2. সংক্রামক রোগ/অসংক্রামক রোগ/অসংক্রামক রোগের উদাহরণ/সংক্রামক রোগের উদাহরণ/জীবানুর সংক্রমণের হাত থেকে প্রতিকারের উপায়/কিছু রোগ যেগুলোতে জ্বর একটা বড় লক্ষণ
  3. Glycemic Index ( গ্লাইসেমিক সুচক ) কি / যাদের Blood Sugar তাদের Glycemic Index (G I)এর কি প্রভাব / Glycemic Index সম্বন্ধে জানাটা কতটা দরকারি
  4. Image of Kolkata Gate / Kolkata Pin Code List / Postal Pin Code of Kolkata / Pin Code of all places in Kolkata
  5. কোন খাবারে আনুমানিক কতটা পরিমান কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন , ফ্যাট ও জল থাকে তা নীচেদেওয়া হলো
  6. 24 Hours Ambulance Services in Kolkata and Howrah/Emergency Oxygen Services in Kolkata/ List of Blood Banks in Kolkata
  7. What you can do to reduce the risk of Cancer.ক্যান্সারের ঝুঁকি কি করলে কম হয় ? এত দূষণ থাকা সত্বেও আমাদের দেশে ক্যান্সার কম কেন ? হলুদ কি ক্যানসার প্রতিরোধ করে ?
  8. উচ্চ রক্তচাপ বা High blood pressure/প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের রক্তচাপ/ যে সব খাবারে বাজে কোলেস্টেরল নেই / যে সব খাবারে বাজে কোলেস্টেরল আছে / ভাল থাকতে হলে
  9. মধু ও তার উপকারিতা / খাটি মধু চিনবো কি করে /খাঁটি মধু চেনার কিছু পরীক্ষা / সর্বশেষ সতর্কতা
  10. DO’S & DON’TS OF ATM/ DEBIT CARD OPERATION
  11. ভিটামিনের (VITAMIN)নাম/ কোন ভিটামিন কিসে দ্রবণীয় / কোন ভিটামিনের অভাবে কোন রোগ হয় / কোন ভিটামিন কোন খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায়
  12. ঔষধ ছাড়া বাঁচতে হলে(আমাদের শরীর /মস্তিষ্ক বা ব্রেন/হৃদয় বা হার্ট/মূত্রগন্থি বা কিডনি/যকৃৎ বা লিভার/শ্বাসযন্ত্র বা লান্গ্স ঔষধ ছাড়া ভাল রাখতে হলে )
  13. রক্তে শর্করা বা BLOOD SUGAR/উপসর্গ বা Symptom/ভাল থাকতে হলে/খাবারের ভাল বিকল্প (best option)/খাবারের খারাপ বিকল্প (worst option)/ Example of Diabetes Diet
  14. কিভাবে বাড়িকে এবং নিজেকে জীবানু মুক্ত রাখতে হয়
  15. রোগ নির্ধারণের জন্য পরীক্ষা বা Medical Check up
  16. চোখ বা EYE/দাঁত বা Teeth — ঔষধ ছাড়া ভাল রাখতে হলে
  17. কোলেস্টেরল বা CHOLESTEROL কি / ভাল রাখার উপায় / ভাল কোলেস্টেরল ও খারাপ কোলেস্টেরল কি /যে সব খাবারে কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরল নেই বলা যায়/যে সব খাবার বেশি কোলেস্টেরল থাকে
  18. খাবার বা Foods (কার্বোহাইড্রেট বা Carbohydrates/প্রোটিন বা Protein/চর্বি বা Fats/ভিটামিন বা Vitamin/খনিজ পদার্থ বা Mineral/জল বা Water)
  19. HEALTH AWARENESS(4TH PART)/স্বাস্থ্য সচেতনা(৪তম অংশ )/ প্রতিদিন কতটা ক্যালরি খাবো
  20. হাসি
  21. ডিম কেন খাব ? / হাঁসের ডিম খাব না মুরগির ডিম খাব ? /দেশি না পোলট্রি কোন ডিম খাব ?/তাজা ডিম চিনবো কি করে ?
  22. LIST OF HOSPITALS IN INDIA FOR HEART TREATMENT
  23. LIST OF HOSPITALS IN INDIA FOR KIDNEY TREATMENT
  24. LIST OF CANCER HOSPITALS IN INDIA/For Financial Aid for Cancer Patients/FOR GETTING HELP
  25. KNOW YOUR FUNDAMENTAL RIGHTS AS PER CONSTITUTION
  26. আবার ফিনল্যান্ডে কটাদিন ( AGAIN IN FINLAND)
  27. হেলসিঙ্কির মহামায়া (DURGA PUJA IN FINLAND)
  28. ব্যাংকের এল পি জি
  29. NAME , PHONE AND ADDRESS OF ALL POLICE STATIONS IN DIFFERENT DISTRICTS OF WEST BENGAL OTHER THAN KOLKATA METRO
  30. NAME/ADDRESS/PHONE/E MAIL/FAX 0F STATE CONSUMER DISPUTES REDRESSAL COMMISSION
  31. NAME,ADDRESS,PHONE NUMBER AND EMAIL OF ALL POLICE STATION/ OUT POST UNDER KOLKATA PIN CO
  32. STAY AND ENJOY WITH FOREST BUNGALOWS IN WEST BENGAL
  33. STAY AND ENJOY WITH TOURIST LODGES IN WEST BENGAL
  34. IMPORTANT NUMBERS, EMAIL ID AND WEB SITE OF MAJOR BANKS FUNCTIONING IN INDI
  35. AREA, POPULATION, FOOD, DRESS, JEWELLERY AND BEST THINGS TO BUY ACROSS THE DIFFERENT STATES AND UNION TERRITORIES OF INDIA
  36. নরথপয়েন্ট
  37. DURGAPUJA IN FINLAND
  38. HEALTH AWARENESS (LUNGS)
  39. DURGAPUJA IN HELSINKI
  40. HEALTH AWARENESS ( INFECTIOUS DISEASE)
  41. HEALTH AWARENESS (PULSE RATE)
  42. STAY AND ENJOY WITH TOURIST LODGES & FOREST BUNGALOWS IN WEST BENGAL
  43. FAMOUS HILL STATIONS WITH ALTITUDE AND SEA BEACHES IN INDIA
  44. INFORMATION REGARDING WEB SITE ,PHONE NO AND EMAIL OF INDIAN TOURISM ALONG WITH TOURISM OF ALL STATES OR UNION TERRITORIES IN INDIA
  45. HOW TO SPEAK THE BENGALI LANGUAGE (1ST PART)
  46. কলকাতার বেশ কিছু নামকরা হাসপাতাল ও নার্সিংহোমের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার
  47. লন্ডন নামচা
  48. ইউরোপের সিলিকন উপত্যকা – তালিন
  49. NORTH CAPE
  50. ফুটবলের মক্কা – স্পেন
  51. সান্তা ক্লসের গ্রাম ল্যাপল্যান্ড
  52. নোবেল পুরস্কারের জন্মদাতার শহর – স্টকহোম
  53. স্বপ্নের শহর – ফিনল্যান্ড

গোলমরিচ / গোলমরিচের ইতিহাস /কি কি আছে গোলমরিচে /গোলমরিচ ঝাল হয় কেন / গোলমরিচের উপকারিতা /গোলমরিচ ব্যবহারের সাবধানতা

Black-Pepper

প্রতিদিন আমরা আমাদের খাবারের স্বাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের মশলা ব্যবহার করি। কোন মশলার কি উপকারিতা বা অপকারিতা জানলে খাবারের সাথে সেই মশলার ব্যবহার আমরা জেনে বুঝে করতে পারি। কদিন আগে আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল হলুদ । আর আজ গোলমরিচ । কারন গোলমরিচকে বলা হয় মশলার রাজা । গোল মরিচের ইংরেজি নাম Black pepper। এর Pepper শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ভাষার পিপালীশব্দ থেকে, যার অর্থ দীর্ঘ মরিচ। এখান থেকে উদ্ভূত হয়েছে লাতিন ভাষার piper যা মরিচ ও গোল মরিচ দুটোকেই বোঝানোর জন্য রোমানরা ব্যবহার করতো।

গোলমরিচের ইতিহাস – প্রথম এটা পাওয়া যায় আমাদের দক্ষিণ ভারতে। পরে এর উৎপাদন বিভিন্ন গ্রীষ্মপ্রধান দেশে ছড়িয়ে পরে। আজ ভিয়েতনাম এর সর্বাধিক উৎপাদক । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বহু বছর ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে এই গোলমরিচ। একসময় গ্রীসে মুদ্রাহিসাবেও এর ব্যবহার ছিল। একে অনেকজায়গায় Black Gold হিসাবেও ডাকতো । সারা বিশ্বে মশলাপাতির বাণিজ্য ক্ষেত্রে গোলমরিচ এক বড় স্থান করে নিয়েছিল ।তাই বহুযুগ ধরে ভারতবর্ষের উপর নজর ছিল বিশ্বের বনিক সম্প্রদায়ের ।

কি কি আছে গোলমরিচে গোলমরিচে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ,প্রোটিন , নেই চর্বি এবং কোলেস্টেরল । রয়েছে B2,C,K,B6 ভিটামিন। মিনারেলের মধ্যে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, জিংক, ক্রোমিয়াম

গোলমরিচ ঝাল হয় কেন পিপারিন নামক এক রাসায়নিক উপাদান থাকে বলে গোলমরিচে ঝাল হয়।

গোলমরিচের উপকারিতা 

()হজমের সহায়ক – এর মধ্যে থাকা পিপারিন খাবার তাড়াতাড়ি হজম করতে খুব সাহায্য করে কারণ অন্ত্রে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের নি:সরন বাড়ায় গোলমরিচ।যেহেতু একটুখানি গোলমরিচ পাকস্থলী থেকে বেশি করে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বের করতে সাহায্য করে তারফলে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয় ।

() ক্যান্সার প্রতিরোধ – গোলমরিচের মধ্যে থাকা পিপারিন বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের থেকে আমাদের বাঁচাতে সাহায্য করে এবং ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গোলমরিচের মধ্যে থাকা প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্ষতিকারক ফ্রি রেডিকেলসে্র হাত থেকে আমাদের শরীরকে বাঁচানোর চেষ্টা করে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধ করে গোলমরিচ, তাই ক্যান্সার প্রতিরোধ করে গোলমরিচ।

(ব্যাকটেরিয়ারোধী অ্যান্টিবায়োটিক – গোলমরিচ প্রাকিতিক ভাবে ব্যাকটেরিয়ারোধী এবং এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকাতে এটি একটি ভাল অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে।সর্দি, কাশি বা ঠাণ্ডা লাগলে , মধুর সাথে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে দারুন কাজ হয় । গলা ব্যাথা কমাতেও সাহায্য করে।

() টক্সিন বের করে – আমরা জানি যে টক্সিন আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।গোলমরিচ শরীর থেকে টক্সিন ঘামের মধ্যে দিয়ে বের করিয়ে দিতে সাহায্য করে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকলেও গোলমরিচ কাজে দেয়।গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাদূর করে

() সংরক্ষণের সুবিধা – গোলমরিচ অনেকদিন বাড়িতে ভালোভাবে সংরক্ষণ করা যায় , নষ্ট হয় না। প্রতিদিন খাবারের সাথে ব্যবহার করার কোন অসুবিধাই থাকে না ।

সাবধানতা

() গর্ভাবস্থায় ও বুকের দুধ দেওয়ার সমায় অতিরিক্ত মাত্রায় গোলমরিচ না নেওয়া ভাল ।

() ব্যবহারের সময় গোলমরিচের গুড়ো যাতে নাকে আর চোখে না পরে সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিৎ নাহলে জ্বালা করবে ।

উপসংহার – চর্বি আর কোলেস্টেরল ছাড়া উপকারী প্রায় সব জিনিষই আছে এই গোলমরিচে। এটা আমাদের শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে প্রতিরোধ করে । সবচেয়ে বড় কথা এটা খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে তোলে এবং ব্যবহার করা খুব সোজা । তাই প্রত্যেক ঘরে ঘরে গোলমরিচের ব্যবহার হওয়া উচিৎ । 

সংক্রামক রোগ/অসংক্রামক রোগ/অসংক্রামক রোগের উদাহরণ/সংক্রামক রোগের উদাহরণ/জীবানুর সংক্রমণের হাত থেকে প্রতিকারের উপায়/কিছু রোগ যেগুলোতে জ্বর একটা বড় লক্ষণ 

Infectious_Disease

সংক্রামক বা ছোয়াচে আর অসংক্রামক বা ছোয়াচে রোগ নয়

সংক্রামক রোগ – যেটা একজন রুগীর থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে জীবানু বা অন্য যে সমস্ত জীবন্ত প্রাণী শরীরের ক্ষতি করে সেগুলো থেকে সংক্রামক রোগ জন্মায় এন্টিবায়োটিক বা যে সব ঔষধ জীবানুর সাথে যুদ্ধ করে তারা সংক্রামক রোগ সারাতে সাহায্য করে এই সংক্রামক রোগগুলো যাতে ছড়িয়ে না পড়তে পারে বা এর থেকে অন্যদের রক্ষা করা, এই দুটো ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত

অসংক্রামক রোগ যেটা একজন রুগীর থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পরে না এই অসংক্রামক রোগের অনেক বিভিন্ন রকমের কারণ থাকে কিন্তু যে সব রোগের বীজ , জীবানু বা অন্য জীবন্ত প্রাণী শরীরকে আক্রমন করে – সেগুলো কখনই এই সব রোগের কারণ হয় না তাই এন্টিবায়োটিক বা যে সব ঔষধ জীবানুর সাথে লড়াই করে তারা অসংক্রামক রোগ সারাতে কোনো সাহায্যই করতে পারে না

অসংক্রামক রোগের উদাহরণ

শরীরের কোনো অংশ ক্ষয়ে গেলে বা কোথাও গোলমাল হলে যে সব সমস্যা হয় বাইরের জিনিস শরীরের ক্ষতি করলে বা শরীরকে কষ্ট দিলে যে সব সমস্যা হয় শরীরে যা যা দরকার তার মধ্যে কোনো কিছুর অভাবে যে সব সমস্যা হয়
বাত , হার্টের রোগ ,মৃগী ,সন্ন্যাস রোগ ,মাইগ্রেন ,ছানি ,ক্যান্সার এলার্জি ,হাঁপানি ,বিষক্রিয়া ,সাপের কামড় ,ধুমপান থেকে কাশি ,আলসার অপুষ্টি ,পেলাগ্রা ,রক্তহীনতা ,গলগন্ড ,লিভারের সিরোসিস
যে সব সমস্যা নিয়ে মানুষ জন্মায় যে সব সমস্যা মনে জন্মায়
গন্নাকাটা ,টেরা চোখ ,অন্যান্য খুঁত ,কয়েক রকম মৃগী , অপরিণত শরীর ,জন্মের দাগ স্নায়বিক উদ্বেগ , ভয়

সংক্রামক রোগের উদাহরণ

যে সব প্রাণী রোগ ঘটায় রোগের নাম রোগটা কি করে ছড়ায় বা শরীরে ঢোকে
জীবানু যক্ষা বাতাস দিয়ে (কাশি)
ধনুস্টঙ্কার নোংরা ক্ষত
কিছু পাতলা পায়খানার রোগ নোংরা হাত , জল , মাছি
নিউমোনিয়া (কয়েক রকমের) বাতাস দিয়ে (কাশি)
গনোরিয়া আর সিফিলিস যৌন সংস্পর্শে
কানে ব্যথা সর্দির সঙ্গে
ক্ষতে সংক্রামন নোংরা জিনিসের সংস্পর্শে
পুঁজ সমেত যা সরাসরি সংস্পর্শে (ছোয়ায় )
ভাইরাস (ব্যাকটিরিয়ার থেকে ছোট জীবানু ) সর্দি ,ফ্লু , হাম , মামপস ,জলবসন্ত ,বাচ্চাদের পক্ষাঘাত , ভাইরাসঘটিত ,পাতলা পায়খানা যার রোগ হয়েছে তার কাছ থেকে বাতাসের মধ্যে দিয়ে কাশি, মাছি ইত্যাদি দিয়ে
জলাতঙ্ক (রেবিস) জানোয়ারের কামড়
আঁচিল ছোঁয়ায়
ছত্রাক দাদ ছোঁওয়া বা জামা কাপড় থেকে
হাজা ছোঁওয়া বা জামা কাপড় থেকে
ভেতরের পরজীবী (যে সব ক্ষতিকর প্রাণী মানুষের শরীরের মধ্যে বাস করে ) নাড়িভুঁড়ির মধ্যে : কৃমি ,এমিবা (আমাশয়) মল থেকে , মুখ দিয়ে , পরিচ্ছন্নতার অভাবে
রক্তে : ম্যালিরিয়া , গোদ মশার কামড়
বাইরের পরজীবী (যে সব ক্ষতিকর প্রাণী শরীরের উপর থেকে ) উকুন , এঁটুলি , ছারপোকা , স্কেবিস যাদের এই সব রোগ হয়েছে তাদের বা তাদের জামাকাপড়ের সংস্পর্শে

জীবানুর সংক্রমণের হাত থেকে প্রতিকারের উপায়

  • সর্বপ্রথম ভালো করে হাতের সামনে দিক পিছনে দিক ধোয়ার অভ্যাস করা বিশেষ করে খাওয়ার আগে , টয়লেট করার পর , ভিড়ের থেকে আসার পর , কোনো অসুস্থ মানুষের সংস্পর্শে আসার পর , গৃহপালিত জন্তুকে আদর করার পর , গণপরিবহনে যাতায়াতের পর

  • চেষ্টা করা নাকে, মুখে,চোখে হাত দেওয়ার আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নেওয়া কারণ শরীরে জীবানু প্রবেশ করার প্রধান রাস্তা এগুলো

  • সর্দি, কাশি, হাঁচি দেওয়ার আগে মুখ ঢেকে নেওয়া পারতপক্ষে লোকজনের থেকে অন্যদিকে ঘুরে যাওয়া

  • অন্যের কোনো জিনিস ব্যবহার করার আগে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া

  • প্রচুর পানীয় গ্রহণ করা

  • পরিপূর্ণ বিশ্রাম নেওয়া

  • হালকা জামা কাপড় পরা এবং ঠান্ডা আবহাওয়াতে থাকা

    কিছু রোগ আছে যেগুলোতে জ্বর একটা বড় লক্ষণ , যেমন:

    ম্যালেরিয়া : শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া আর শীত শীত করার সাথে হঠাৎ শুরু হয় জ্বর , থাকে কয়েক ঘন্টা তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে শুরু হয় ঘাম সাধারনত প্রতেক দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে এর আক্রমন হয় জ্বরের ফাঁকে রোগীকে মোটামুটি সুস্থ মনে হয় প্রতেকবার তাপমাত্রা বাড়ার পর রোগী এক , দুই বা তিন দিন ভালো বোধ করতে পারে

    টাইফয়েড : সর্দির মত শুরু হয় প্রতিদিন একটু করে তাপমাত্র বাড়ে নাড়ির গতি তুলনায় ধীর থাকে কখনো কখনো পাতলা পায়খানা আর শরীরে জলের অভাব হয় কাঁপুনি আর প্রলাপ হয় রোগী খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ে

    হেপাটাইটিস : রোগীর খিদে চলে যায় খেতে বা ধুমপান করতে চায় না বমি বমি ভাব হয় চোখ আর চামড়া হলদে , পেচ্ছাব গারো হলুদ বা খয়েরি আর পায়খানা সাদাটে রঙের হয়ে যায় কখনো কখনো লিভার বড় হয়ে যায় আর যন্ত্রণা দেয় জ্বর কম থাকে রোগী খুব দুর্বল হয়ে পড়ে

    নিউমোনিয়া : দ্রুত ওপর ওপর শ্বাস পড়ে তাপমাত্রা তাড়াতাড়ি ওঠে কাশির সাথে সবুজ , হলদে বা রক্ত মেশা কফ ওঠে বুকে ব্যথা থাকতে পারে রোগী খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে

    বাতের জ্বর : ছোট ছেলেমেয়েদের আর কিশোর কিশোরীদের মধ্যে বেশি দেখা যায় গাঁটে গাঁটে ব্যথা বেশি জ্বর হয় প্রায়ই গলায় ব্যথা হয়ে শুরু হয় বুকে ব্যথার সাথে শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে রোগীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও হাতপায়ের নড়াচড়া হতে পারে

    যক্ষা : ক্লান্তি , ওজন কমে যাওয়া আর কাশির সাথে ধীরে ধীরে শুরু হয় বিকেলের দিকে জ্বর হয় সকালে তাপমাত্রা নেমে যায় রাত্রে ঘাম হতে পারে মাসের পর মাস এইরকম চলতে পারে

    সূতিকার জ্বর : প্রসবের এক বা কয়েকদিন পরে শুরু হয় অল্প জ্বর দিয়ে আরম্ভ হয় পরে সাধারনত সেটা বাড়ে যোনিদ্বার দিয়ে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয় যোনিতে ব্যথা , কখনো কখনো রক্তপাতও হয়

    এগুলো ছাড়া আরো অনেক রোগ আছে যেগুলোতে একই ধরনের লক্ষণ আর জ্বর হতে পারে . যখনই দরকার ডাক্তারের সাহায্য নেওয়া ভালো

Glycemic Index ( গ্লাইসেমিক সুচক ) কি / যাদের Blood Sugar তাদের Glycemic Index (G I)এর কি প্রভাব / Glycemic Index সম্বন্ধে জানাটা কতটা দরকারি

Glycemic Index

An International Scientific Consensus Summit that was attended by some of the top scientists in the field of Glycemic Index, Glycemic Load and Glycemic Response published a paper on some of the key benefits. The consensus that arose from this summit stated that “There is convincing evidence from a large body of research that low glycemic index/glycemic load (GI/GL) diets reduce the risk of type 2 diabetes and coronary heart disease, help control blood glucose in people with diabetes, and may also help with weight management.”

যাদের শরীরের রক্তে চিনির মাত্রা বেশি থাকে মানে যাদের শরীরেBlood Sugar এর মাত্রা বেশি , তাদের কার্বোহাইড্রেট কম খেতে বলা হয় । কিন্তু কার্বোহাইড্রট তো খেতেই হবে । তাহলে কোন কার্বোহাইড্রট খাবো। প্রতেক দিনের ক্যালরির প্রায় ৪৫ থেকে ৬৫ ভাগ আসা উচিত কার্বোহাইড্রেট থেকে কার্বোহাইড্রেট থেকে আমরা এনার্জি বা ক্যালোরি পাই যা আমাদের কোষের শক্তি, দৈহিক তেজ, কর্মক্ষমতা,তাপ উত্পাদন ও চর্বি গঠন বাড়াতে সাহায্য করে এই জাতীয় খাবারই আমাদের দেহ গঠন এবং দেহ সংরক্ষণের প্রধান উপাদান প্রতি ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট আমাদের ৪.১ ক্যালোরি দেয় যখন আমরা কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার খাই ,আমাদের শরীর কার্বোহাইড্রেট থেকে চিনি ও শ্বেতসার ভেঙ্গে শর্করা বা Glucose তৈরী করে যেটা রক্তের সাথে মিশে যায় আর তন্তু শরীর থেকে বাইরে বেড়িয়ে যায় হজম না হয়ে

বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেছে, যেসব কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স বা Glycemic Index বেশি থাকে, সেইসব কার্বোহাইড্রেট রক্তে তাড়াতাড়ি মিশে গিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় মানে তাড়াতাড়ি শরীরে Blood Sugar এর মাত্রা বেড়ে যায় আর যেসব কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স বা Glycemic Index কম বা মাঝারি থাকে তারা রক্তে তাড়াতাড়ি মিশে গিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে না তাই যাদের শরীরে Blood Sugar সাধারনের থেকে বেশি থাকে তাদের যেসব কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স বা Glycemic Index বেশি থাকে, তা কম খাওয়া ভাল ।আর একটা কাজও করা যেতে পারে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স বেশি কার্বোহাইড্রেট আর গ্লায়সেমিক ইনডেক্স কম কার্বোহাইড্রেট একসাথে মিশিয়ে খেলে তাতে গ্লায়সেমিক লোড কম হবে ।কিন্তু কারও শরীরে যদি হঠাৎ করে Blood Sugar কমে যায়, তাহলে তাড়াতাড়ি High Glycemic Index যুক্ত খাবার খাওয়ানোই ভাল। Glycemic Index তিন প্রকারের হয় । Low, Medium and High

Low GI

55 or less

Medium GI

56–69

High GI

70 and above

এবার জানতে হবে কোন খাবারের কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্সের মাত্রা কতটা আছে ।নীচে অনেকগুলি কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবারের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্সের মাত্রা কত তা দেওয়া হল ।

FOOD

Glycemic index (glucose = 100)

White wheat bread*

75 ± 2 (High GI)

Whole wheat/whole meal bread

74 ± 2 ( High GI)

Specialty grain bread

53 ± 2

Unleavened wheat bread

70 ± 5 ( High GI)

Wheat roti

62 ± 3

Chapatti

52 ± 4

Corn tortilla

46 ± 4

White rice, boiled*

73 ± 4 ( High GI)

Brown rice, boiled

68 ± 4

Barley

28 ± 2

Sweet corn

52 ± 5

Spaghetti, white

49 ± 2

Spaghetti, whole meal

48 ± 5

Rice noodles†

53 ± 7

Udon noodles

55 ± 7

Couscous†

65 ± 4

BREAKFAST CEREALS

Cornflakes

81 ± 6 ( High GI)

Wheat flake biscuits

69 ± 2

Porridge, rolled oats

55 ± 2

Instant oat porridge

79 ± 3 ( High GI )

Rice porridge/congee

78 ± 9 ( High GI)

Millet porridge

67 ± 5

Muesli

57 ± 2

FRUIT AND FRUIT PRODUCTS

Apple, raw†

36 ± 2

Orange, raw†

43 ± 3

Banana, raw†

51 ± 3

Pineapple, raw

59 ± 8

Mango, raw†

51 ± 5

Watermelon, raw

76 ± 4 ( High GI)

Dates, raw

42 ± 4

Peaches, canned†

43 ± 5

Strawberry jam/jelly

49 ± 3

Apple juice

41 ± 2

Orange juice

50 ± 2

VEGETABLES

Potato, boiled

78 ± 4 ( High GI)

Potato, instant mash

87 ± 3 ( High GI)

Potato, french fries

63 ± 5

Carrots, boiled

39 ± 4

Sweet potato, boiled

63 ± 6

Pumpkin, boiled

64 ± 7

Plantain/green banana

55 ± 6

Taro, boiled

53 ± 2

Vegetable soup

48 ± 5

DAIRY PRODUCTS AND ALTERNATIVES

Milk, full fat

39 ± 3

Milk, skim

37 ± 4

Ice cream

51 ± 3

Yogurt, fruit

41 ± 2

Soy milk

34 ± 4

Rice milk

86 ± 7 ( High GI)

LEGUMES

Chickpeas

28 ± 9

Kidney beans

24 ± 4

Lentils

32 ± 5

Soya beans

16 ± 1

SNACK PRODUCTS

Chocolate

40 ± 3

Popcorn

65 ± 5

Potato crisps

56 ± 3

Soft drink/soda

59 ± 3

Rice crackers/crisps

87 ± 2 ( High GI)

SUGARS

Fructose

15 ± 4

Sucrose

65 ± 4

Glucose

103 ± 3 ( High GI)

Honey

61 ± 3

Blood Sugar কোন রোগ নয়, কিন্তু অনেকদিন ধরে থাকলে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে । তাই এটাকে নিয়ন্ত্রন রাখা খুবই জরুরী । নিজের শরীর ভাল রাখতে নিজেই ঠিক করে ফেলুন কি খাবেন , কেন খাবেন আর কতটা খাবেন ।

Image of Kolkata Gate / Kolkata Pin Code List / Postal Pin Code of Kolkata / Pin Code of all places in Kolkata

Kolkata_Gate_at_New_Town_Rajarhat-770x515-1

Image of Kolkata Gate

Kolkata Pin Code List

Kolkata GPO – 700001

Cossipore – 700002

Bagbazar – 700003

Shyambazar – 700004

Hatkhola – 700005

Beadon Street- 700006

Burrabazar – 700007

Barisha – 700008

Raja Rammohan Roy Sarani- 700009

Beliaghata – 700010

Narkeldanga – 700011

Bowbazar – 700012

Dharmatala – 700013

Entally – 700014

Tangra – 700015

Park Street – 700016

Circus Avenue – 700017

Burtolla – 700018

Ballygunge – 700019

Lala Lajpat Rai Sarani – 700020

Fort William – 700021

Hestings – 700022

Khidirpur – 700023

Garden Reach – 700024

Bhowanipur – 700025

Kalighat – 700026

Alipore – 700027

Dum Dum – 700028

Sarat Bose Road – 700029

Ghughudanga – 700030

Dhakuria – 700031

Jadavpur University – 700032

Tollygunge – 700033

Behala – 700034

Alambazar – 700035

Baranagar – 700036

Belgachia – 700037

Sahapur – 700038

Tiljala – 700039

Regent Park – 700040

Paschim Putiary- 700041

Kasba – 700042

S.E.Railway – 700043

Badartala – 700044

Lake Gardens – 700045

Govinda Khatick Road- 700046

Naktala – 700047

Sreebhumi – 700048

Nimta – 700049

Sinthee – 700050

Birati – 700051

Calcutta Airport – 700052

New Alipore – 700053

Kankurgachi – 700054

Bangur Avenue – 700055

Belghoria – 700056

Ariadaha – 700057

Kamarhati – 700058

Desbandhu Nagar – 700059

Parnasree Patil – 700060

Sarsuna – 700061

W B Governor’s Camp – 700062

Thakurpukur- 700063

Salt Lake – 700064

Rabindranagar – 700065

Bidhannagar – 700066

Ultadnaga – 700067

Jodhpur Park – 700068

Esplanade – 700069

Bansdroni – 700070

Middleton Row – 700071

Princep Street – 700072

Chittaranjan Avenue- 700073

Motijhil- 700074

Santoshpur – 700075

Dakshineswar – 700076

Bediapara – 700077

Haltu – 700078

Italgacha – 700079

Mall Road – 700080

Rajbari Colony – 700081

Haridevpur – 700082

Nandan Nagar – 700083

Garia – 700084

K G Bose Sarani – 700085

Baghajatin – 700086

New Market – 700087

Brace Bridge – 700088

Lake Town – 700089

Nawpara – 700090

Sech Bhavan -700091

Regent Estate – 700092

Purba Putiary – 700093

Pancha Sayar – 700094

Golf Green – 700095

Brahampur – 700096

Purbachal – 700097

Bidhan Nagar Sai Complex – 700098

Kalikapur – 700099

VIP Nagar – 700100

Prafulla Kanan – 700101

Krishnapur – 700102

Narendrapur – 700103

Joka – 700104

Dhapa – 700105

Bidhan Nagar I.B.Market – 700106

East Kolkata Township – 700107

ISI – 700108

Agarpara – 700109

Sodepur – 700110

Ghola Bazar – 700111

Panslia – 700112

Natagarh – 700113

Panihati – 700114

Sukchar – 700115

Balaram Dharma Sopan – 700116

Khardah – 700117

Rahara – 700118

Titagarh – 700119

Barrackpore HO – 700120

Nilganj Bazar – 700121

Nona Chandanpukur – 700122

Talpukur – 700123

Barasat HO – 700124

Noapara – 700125

Navapally – 700126

Hridaypur – 700127

Badu – 700128

Madhyamgram – 700129

Madhyamgram Bazar – 700130

New Barrackpore – 700131

Ganganagar – 700132

Michael Nagar – 700133

Nilachal – 700134

Rajarhat – 700135

Rajarhat Gopalpur – 700136

Budge Budge – 700137

Pujali – 700138

Vivekananda Pally – 700139

Batanagar – 700140

Maheshtala – 700141

Santoshpur (Maheshtala) – 700142

Sarkarpool – 700143

Baruipur HO – 700144

Malancha Mahinagar – 700145

Kodalia – 700146

Subhasgram – 700147

Harinavi – 700148

Rajpur – 700149

Sonarpur – 700150

Dakahin Jagatdal – 700151

Panchpota – 700152

Laskarpur – 700153

Boral – 700154

Abdalpur – 700155

New Town Rajarhat – 700156

Hatiara – 700157