Author: supriyoroy

DO’S & DON’TS OF ATM/ DEBIT CARD OPERATION

ATM-Machine

1. SIGN ON THE STRIP ON THE BACK OF YOUR CARD AS SOON AS YOU RECEIVE IT.
2. MEMORISE YOUR PIN AND DESTROY ALL PHYSICAL EVIDENCE OF THE PIN.
3. DESTROY THE PIN AS SOON AS YOU RECEIVE IT.
4. ALWAYS CHANGE THE PIN AS SOON AS YOU RECEIVE IT.
5. FIRST USE OF THE CARD MUST BE ON AN ATM . ELSE IT WILL NOT BE ACCEPTED AT POINT OF SALE (POS) TERMINAL.
6. REGISTER YOUR MOBILE NUMBER WITH THE BANK FOR GETTING SMS ALERTS FOR YOUR ATM
TRANSACTION.
7. ANY UNAUTHORISED CARD TRANSACTIONS IN THE
ACCOUNT, IF OBSERVED, SHOULD BE REPORTED IMMEDIATELY TO THE BANK.
8. STORE YOUR CARD IN A SECURED PLACE WHERE YOU MAY IMMEDIATELY KNOW IF IT IS MISSING.
9. CHECK THE AREA FOR SUSPICIOUS-LOOKING PEOPLE BEFORE YOU APPROACH THE ATM. LEAVE THE ATM IMMEDIATELY IF YOU
DON, T FEEL SAFE.
10. ONCE YOU COMPLETE YOUR
TRANSACTION, BEFORE LEAVING, BE SURE THAT ‘WELCOME SCREEN’ IS DISPLAYED IN THE ATM AND IT IS SCROLLING.
11. PLEASE ENSURE THAT THE CARD IS SWIPED IN YOUR PRESENCE AT POS.
12.IF YOUR ATM/DEBIT CARD IS LOST OR STOLEN, IMMEDIATELY HOT LIST THE CARD THROUGH TOLL FREE NUMBER PROVIDED BY BANK.
13. WHEN YOU DESTROY YOUR CARD UPON EXPIRY OR CLOSURE OF YOUR ACCOUNT, CUT IT INTO PIECES THROUGH THE MAGNETIC STRIP.
14. IF CASH IS NOT DISBURSED BUT THE ACCOUNT GETS DEBITED FOR THE AMOUNT, YOU SHOULD LODGE A COMPLAINT WITH THE CARD ISSUING BANK WHERE ACCOUNT IS MAINTAINED. THIS PROCESS IS APPLICABLE EVEN IF THE TRANSACTION WAS CARRIED OUT AT OTHER BANKS ATM.

15. YOU MAY LODGE A COMPLAINT WITH THE LOCAL BANKING OMBUDSMAN IF THE CARD ISSUING BANK DOES NOT RESPOND YOUR COMPLAINT.

16. DO NOT DISCLOSE DETAILS LIKE PASSWORDS, DEBIT CARD GRID VALUES, ETC. TO ANYONE, EVEN IF THEY CLAIM TO BE BANK EMPLOYEES OR ON E- MAILS/LINKS FROM GOVERNMENT BODIES LIKE RBI, IT DEPT. ETC.
17. DO NOT SAVE CONFIDENTIAL INFORMATION SUCH AS YOUR DEBIT/CREDIT CARD NUMBERS, CVV NUMBERS OR PIN’S ON YOUR MOBILE PHONE.
18. USE A COMBINATION OF RANDOM LETTERS AND NUMBERS FOR YOUR PASSWORD.
19. CHANGE YOUR PASSWORD REGULARLY.

20. DEBIT CARDS CAN ALSO BE BLOCKED/UNBLOCKED THROUGH MOBILE BANKING BY CARDHOLDER AS MANY NUMBER OF TIMES AS DESIRED BY THEM .

 

Advertisements

ভিটামিনের (VITAMIN)নাম/ কোন ভিটামিন কিসে দ্রবণীয় / কোন ভিটামিনের অভাবে কোন রোগ হয় / কোন ভিটামিন কোন খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায়

vitamin

ভিটামিনের নাম : ভিটামিন A

কিসে দ্রবণীয় : চর্বিতে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয় :রাতকানা, চোখের অসুখ যেটা কর্নিয়াকে শুকিয়ে দেয়

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :মেটে , টমাটো ,মটর শুঁটি, গাজর , ব্রকলি , মিষ্টি আলু , মাখন , বাঁধা কপি , পেঁপে,সবুজ ও হলদে রঙের শাকসবজি ও ফল ,দুধ ,মাছের তেল , ডিম , অপ্রিকট , ফুটি, ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন B

কিসে দ্রবণীয় : জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:বেরিবেরি (এক জাতীয় স্নায়বিক রোগ ), ওএর্নিকি কোর্সা কফ ( Wernicke -korsa koff ) এর লক্ষণ দেখা দেয়

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :ইস্ট , শুয়োরের মাংস , শস্য দানা , সূর্যমুখী বীজ , ব্রাউন রাইস , শতমূলী , পাতা কপি , ফুলকপি , আলু , কমলা লেবু , মেটে , ডিম ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন B 2

কিসে দ্রবণীয় :জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:aribpflavinosis হতে পারে

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :শতমূলী , কলা , খেজুর , পনির , দুধ , দই , মাংস ,ডিম , মাছ , সবুজ শিম ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন B 3

কিসে দ্রবণীয় :জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:অপুষ্টিরোগ

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :মেটে, ,মাংস , মাছ, দুধ, ডিম, অভাকাড , খেজুর , টমেটো , শাকসব্জি , ব্রকলি , গাজর , মিষ্টি আলু , শতমূলী , বাদাম , গোটা শস্য , শিম , মাসরুম , ইস্ট ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন B 5

কিসে দ্রবণীয় :জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:পারেস্থেসিয়া (paresthesia)

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :মাংস , গোটা শস্য ( কলে ছাঁটা নয় ), ব্রকলি , অভকাড , জেলি , মাছের ডিম ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন B 6

কিসে দ্রবণীয় :জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:রক্তাল্পতা , পেরিফেরাল স্নায়ুরোগ

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :মাংস , কলা , গোটা শস্য , সবজি , বাদাম , দুধকে ফোটালে বা ফ্রীজে অনেক্ষণ রাখলে B 6 এর পরিমান অনেক কম হয়ে যায়

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন B 7

কিসে দ্রবণীয় :জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:ডার্মাটাইটিস (Dermatitis) ,আন্ত্রিক প্রদাহ বা Enteritis

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :ডিম , ডিমের কুসুম , মেটে , সবজি ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন B 9

কিসে দ্রবণীয় :জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:গর্ভাবস্থার অসুবিধা (Pregnancy deficiency linked to birth defects)

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :শাকসব্জি , শিম , লিভার , ইস্ট , সূর্যমুখী বীজ , ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন B 12

কিসে দ্রবণীয় :জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:রক্তাল্পতা বা Megaloblastic anemia

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :মাছ , শামুখ , মাংস , ডিম , দুধ এবং দুগ্ধজাত খাদ্য , সয়া ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন C

কিসে দ্রবণীয় :জলে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:রক্তাল্পতা বা Megaloblastic anemia, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায় , শিশুর ওজন হ্রাস ,

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :সকল প্রকার লেবু , টমাটো,ফল , অংকুরিত ছোলা,পিয়াঁজ,পালং শাক,বাঁধাকপি,আলু,মিষ্টি আলু,মটর শুঁটি,দুধ,দই,ঘোল ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন D

কিসে দ্রবণীয় :চর্বিতে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:রিকেট , রোগজীর্ণ অস্থি কোমলতা (osteomalacia)

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :সূর্যের আলো থেকে , চর্বিযুক্ত মাছ ,মাছের ডিম,পাঁঠার মেটে, ডিমের কুসুম ,দুধ,মাখন,বড়ি,পাঁপড়,আচার, মাসরুম ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন E

কিসে দ্রবণীয় :চর্বিতে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:গর্ভ সংরক্ষক ভিটামিন বলে,সাধরনত এর অভাব হয় না . হলেও সামান্য

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :কিউই ফল , আলমন্ড , অভকাড , ডিম , দুধ , বাদাম , সবুজ শাক সবজি , শস্যদানা , মাছের বা খাসির তেল ,নারিকেল,কলা,মাংস,সয়াবিন, মটর শুঁটি, ইত্যাদি

ভিটামিনের নাম :ভিটামিন K

কিসে দ্রবণীয় :চর্বিতে দ্রবণীয়

ভিটামিনের অভাবে যে রোগ হয়:Bleeding diathesis বা রক্ত জমাট বাঁধে না

যে সকল খাবার থেকে বেশি পাওয়া যায় :সবুজ শাক সবজি ,ব্রকলি , সয়াবিন , অভকাড , কিউই ফল , পার্সলে ইত্যাদি

ঔষধ ছাড়া বাঁচতে হলে(আমাদের শরীর /মস্তিষ্ক বা ব্রেন/হৃদয় বা হার্ট/মূত্রগন্থি বা কিডনি/যকৃৎ বা লিভার/শ্বাসযন্ত্র বা লান্গ্স ঔষধ ছাড়া ভাল রাখতে হলে )

humanbody

শরীর খারাপ হলে আমরা অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাব । কিন্তু শরীর খারাপ যাতে না হয় বা ডাক্তারের কাছে যাতে না যেতে হয় বা ঔষধ ছাড়া যদি বাঁচতে হয় তাহলে আমাদের কি করা উচিৎ সেটাই আমাদের বেশী করে জানা দরকার । এটাই স্বাস্থ্য সচেতনা।

আমরা আমাদের জীবনের ৮0% পেয়ে যাই যদি একটা সুস্থ শরীর নিয়ে জন্ম গ্রহন করি এবং তাকে ধরে রাখতে পারি বাকি ২0% জীবনের চাওয়া পাওয়াতে চলে যায় তাইতো আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় বন্ধু হলো আমাদের শরীর প্রতিটা অঙ্গ সারাদিন ধরে নিঃস্বার্থ ভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে শরীরটাকে ভাল রাখার জন্য কোন অনুরোধ ছাড়াই বাইরের এবং ভিতরের শত্রুদের সাথে লড়াই করতে পিছপা হয় না প্রতিদানে কিছুই চায় না সুতরাং আমাদেরও উচিত এই প্রকৃত বন্ধুদের সাথে ভাল ব্যবহার করা তাদের অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে না দেওয়া তার জন্য আমাদের একটু সজাগ হতে হবে যেমন, ভাল করে চিবিয়ে খেলে পাকস্থলিকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবেনা এই রকম আরও অনেক কিছু বলা যায় আমাদের এই প্রিয় শরীরটাকে ঠিক রাখতে বেশি না কমপক্ষে পাঁচটি নিয়ম মানলেই চলে

  1. পরিমিত প্রয়োজনীয় আহার

  2. পরিমিত পরিশ্রুত পানীয়

  3. পরিমিত শারীরিক প্ররিশ্রম

  4. শরীরের প্রতিটা অঙ্গের সাথে একটু পরিচিত হওয়া

  5. শরীরকে ক্ষতি করে এমন সব জিনিস বর্জন করা

আমাদের প্রধান পাঁচটি বন্ধু বা অঙ্গ প্রতিদিন নিয়ম করে কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে শরীরটাকে চালনা করছে সেই পাঁচটি বন্ধুদের নাম হলো:- মস্তিষ্ক (ব্রেন),হৃদয়(হার্ট) ,মূত্রগন্থি (কিডনি ) ,যকৃৎ (লিভার) এবং শ্বাসযন্ত্র ( লাঙ্গস)

মস্তিষ্ক (ব্রেন)

human-brain-

স্তিষ্ক হলো আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের পরিচালক আমাদের শরীরে যে পাঁচটি ইন্দ্রিয় আছে যেমন চোখ,কান,জিহবা,ত্বক্ ও নাক এদের মাধ্যমে আমাদের ব্রেন খবর নেয় আর তদানুসারে নির্দেশ দেয় পেশীদের কাজ করার জন্য পেশীরা বা আমাদের শরীরের শক্তিমানরা তখনিই কাজটা সম্পন্ন করে এক কথায় বলা যায় আমাদের মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে খবর সংগ্রহ করে আর সংকেত পাঠায় বিভিন্ন অঙ্গেআমাদের মস্তিষ্ক আমাদের চিন্তাশক্তি, অনুভূতি,স্মৃতি সংগ্রহে এবং জাগতিক খোঁজ খবর রাখাতে দারুন ভাবে সাহায্য করে

কিছু কিছু ভাল অভ্যাস দৈনন্দিন জীবনে করলে মস্তিস্কের শক্তিকে আরো বাড়ানো যায় যার ফলে মস্তিষ্ক কিছু নতুন নিউট্রন তৈরী করতে পারে যেটা মনটাকে ধারালো করে এবং মস্তিস্কের শক্তি জোগায়

ভাল রাখতে হলে :

  • দিনে সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুমানো বা বলা যায় ঘুম থেকে উঠলে যেন ক্লান্ত না লাগে 

  • প্রতিদিন কিছুক্ষনের জন্য পড়াশোনা করা বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে হাত দিয়ে কিছু লিখলে সেটা মস্তিস্কের কিছু অংশকে দারুনভাবে সক্রিয় করে

  • গবেষণায় এও দেখা গেছে যে কমবয়সী যুবক ও যুবতিদের এক চটকা বা অল্পক্ষনের জন্য চেয়ারে বসে গভীর নিদ্রা অনেক সময় মস্তিস্কে ভাল কাজ দেয়

  • পরিমিত পানীয় গ্রহন

  • কোন বাদ্যযন্ত্রের অনুশীলন করা বা গান গাওয়া

  • মাঝে মাঝে প্রতিদিনের রুটিন ভাঙ্গা একটু আলাদা কিছু করা

    হৃদয়(হার্ট)

    heart

আমাদের সারা শরীরে রক্ত পৌছে দেবার দায়িত্বে রয়েছে আমাদের আরেক বন্ধু, হার্ট বা হৃদয় সারাদিন ধরে পাম্প করে চলেছেপাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে শরীর স্তব্ধ হয়ে যাওয়া হার্টের এই স্পন্দনকে হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন বলে এই স্পন্দনের ফলে একটা চাপ সৃষ্টি হয় যেটা রক্তকে ধাক্কা মেরে সারা শরীরে পৌছে দেয় এই চাপ কে রক্তচাপ বা হার্টপ্রেসার বলেযারা কোন রকম শারীরিক কাজকর্ম করেনা তাদের হার্ট ধীরে ধীরে শক্তি,মনোবল,ও ক্ষমতা হারায়

ভাল রাখতে হলে :

  • প্রতিদিন ৩0 মিনিটের শারীরিক পরিশ্রম যেটা আমাদের :-

  • হার্টের রোগ থেকে বাঁচায়

  • উচ্চ রক্তচাপ,ডাইবেটিস এবং ষ্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি কম করে

  • ধূমপান থেকে বিরত থাকতে সাহায্য করে

  • শারীরিক ওজন কম করতে সাহায্য করে

  • উচ্চ রক্তচাপ ও ডাইবেটিস, কোলষ্টরেল নিয়ন্ত্রিত রাখতে সাহায্য করে

  • মানসিক চাপ,বিষন্নতা,দুশ্চিন্তা কম করতে সাহায্য করে

  • এককথায় জীবনকাল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে

  • সবসময় পজিটিব থাকা এবং মানসিক চাপ বাড়ার কারণ খুঁজে বের করা ও তার প্রতিকার করাকারণ মানসিক চাপ, হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপকে বাড়িয়ে তোলেযার ফলে ধমনীর আস্তরনের ক্ষতি হয়

  • পরিমিত সুষম আহার যেমন শাকসবজি,ফল,মাছ,মাংস যাই খাই না কেন তা যেন ভাজা কম হয় দুই থেকে তিন চা চামচের বেশি তেল প্রতিদিনের খাবারে ব্যবহার না করাই উচিত

  • শরীরের ওজন ঠিক রাখা অতিরিক্ত ওজন হার্টের পক্ষে একদম ভাল নয়

  • ধূমপান পরিত্যাগ করা

  • রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখা

  • অতিরিক্ত মদ্যপান হার্টের ক্ষতি করে

  • পরিবারের কারও হাই ব্লাড প্রেসার, ডাইবেটিস ,স্থুলতা থাকলে সতর্ক হওয়া উচিত

  • নিজের হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ সমন্ধে সতর্ক থাকা উচিত

  • বয়স্কদের জন্য জগিং করার থেকে হাঁটা বেশি ভাল কারন জগিংএ জয়েন্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে

  • জাঙ্ক ফুড যতটা কম খাওয়া যায়

  • একটানা একজায়গায় যত কম বসা যায় মাঝে মাঝে একটু চলাফেরা করে নেওয়া ভাল

  • পরিশেষে চাই প্রানখোলা হাসি

 

মূত্রগন্থি (কিডনি )

kidneys-anatomy

আমাদের শরীরে একজোড়া কিডনি তলপেটের পিছনের দিকে থাকে প্রত্যেক পরিনত কিডনি থেকে ইঞ্চি লম্বা হয় আমাদের শরীরের সমস্ত রক্ত সারাদিন ধরে কিডনির মধ্যে দিয়ে যায় ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা চাইলে জানতে পারি আমাদের কিডনি বর্তমান অবস্থা সারাদিন ধরে কিডনি যে কাজ করে চলেছে তা হলো :-

  • কিডনির প্রথম কাজ রক্তকে পরিস্কার করা

  • কিডনি শরীর থেকে খারাপ পদার্থ বের করে

  • শরীরে তরল পদার্থের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে

  • কিডনি রক্ত থেকে খারাপ অতিরিক্ত তরল পদার্থ আলাদা করে এবং রক্তের থেকে ইউরিয়া নিয়ে জল অনান্য পদার্থ মিশিয়ে ইউরিন বা পেচ্ছাব তৈরী করে

  • হরমোন বের করে রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে

  • ভিটামিন ডিয়ের সক্রিয় ফর্ম তৈরী করে যেটা শরীরে মজবুত হাঁড় বৃদ্ধিতে সাহায্য করে

  • লাল রক্ত কণিকার উতপাদনকে নিয়ন্ত্রণ করে

৩০ বছরের পর প্রত্যেক দশ বছর অন্তর কিডনির ক্ষমতা প্রায় ১০% করে কমতে থাকে রক্তচাপ ,ডায়াবেটিস , প্রস্রাব ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করে কিডনির রোগ আছে কিনা জানা যায় সুতরাং কিডনির রোগ থেকে বাঁচতে হলে বিশেষজ্ঞদের দেওয়া নিচের টিপসগুলো জানা দরকার

ভাল রাখতে হলে :

  1. ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ হার্টের রোগকে আয়ত্তে রাখতে হবে

  2. খাবারে লবনের মাত্রা কম রাখা কারণ লবন খাবারে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় লবন শুধুমাত্র রক্তচাপ বাড়িয়ে তোলে তা নয় ,কিডনিতে পাথর হতে সাহায্য করে সারাদিনে এক চা চামচ বা থেকে গ্রাম লবনের বেশি খাওয়া স্বাস্থের পক্ষে ভালো নয়

  3. প্রতিদিন পরিমাপ মতো পরিশ্রত জল পান করা

  4. পেচ্ছাবের ইচ্ছাকে রোধ করা ঠিক নয় একজন মানুষ দিনে থেকে লিটার অবধি সাধারনত পেচ্ছাব করে

  5. জাঙ্ক ফুড কম খেয়ে টাটকা ফল , তরকারী , মাছ , মাংস ,ডিম ,দুধ ,তরমুজ , কমলা লেবু , পাতি লেবু কিডনির পক্ষ্যে খুব ভাল

  6. শাক সবজি , ফলের রস যত পান করা যাবে তত ভাল কিন্ত যদি কারো কিডনির অসুবিধা থাকে তাহলে পালং শাকের রস পান না করাই ভাল

  7. ধুমপান একদমই নয়

  8. অতিরিক্ত মদ্যপান কিডনির ক্ষতি হতে বাধ্য

  9. প্রতিদিন পরিমিত শরীর চর্চা

  10. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ খাওয়া ঠিক নয়

  11. ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট বা ভেষজ সাপ্লিমেন্টস খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত

যকৃৎ (লিভার)

liver

লিভার পাচনতন্ত্রের এক গুরত্বপূর্ণ খেলোয়াড় যা কিছু আমরা খাই বা পান করি ঔষধ সহ সবই লিভারের মধ্য দিয়ে যায় লিভারের অনেক কাজ যেমন :

  • ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থকে পরিস্কার করে

  • ঔষধকে শরীরের জন্য ব্যবহার করে

  • রক্তকে পরিস্কার করে

  • পিত্তকে বাঁচায়

  • রক্ত জমাট বাঁধার জন্য যে প্রোটিন দরকার সেটা তৈরী করে

এই বন্ধুটিকে ভাল করে রাখা এবং একে ভালোমতো কাজ করতে দেওয়া আমাদের উচিত

ভাল রাখতে হলে :

  1. স্বাস্থ্যকর  খাবার খাওয়া

  2. প্রতিদিন নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা

  3. কিছু ঔষধের ব্যপারে সতর্ক থাকা যেমন কোলেস্টেরল ড্রাগস্ এবং পেনকিলার অতিরিক্ত না খাওয়া কারণ তাতে লিভারের ক্ষতি হওয়ায় সম্ভবনা বেশি থাকে

  4. হেপাটাইটিসের ব্যাপারে সতর্ক থাকা

  5. উদ্ভিজ এবং খাবারের সপ্লিমেন্ত্স সমন্ধ্যে সতর্ক থাকা

  6. শরীরের জন্য যেটা বিষ তা স্পর্শ না করা বা তার সামনে নিঃশাস না নেওয়া

  7. কফি ,আদা, গাজর , মিন্ট ,ঘন সবুজ সবজি লিভারকে ভাল রাখে

  8. লেবু দারুন উপকারী এটা লিভার , কিডনি, গলব্লাডার, লান্গ্স(কলিজা ) ,পরিপাক নালীকে পরিস্কার করে

শ্বাসযন্ত্র ( লাঙ্গস)

lungs

আমাদের শরীরের বুকের দুপাশে রয়েছে এক জোড়া লান্গ্স যারা সারাদিন ধরে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে আমরা যে বাতাস গ্রহন করি, তার থেকে অক্সিজেনকে আলাদা করে রক্তের মধ্যে পাঠিয়ে দেয় এবং শরীর থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডকে আলাদা করে, প্রশ্বাসের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেয় ভাবতে পারেন, কি দারুন কাজটা সারাদিন ধরে কারও নির্দেশ ছাড়াই করে চলেছে শুধু আপনার শরীরটাকে ভালো রাখার জন্য এই প্রিয় বন্ধুটিকে ভালো রাখার আমাদের কি কোন দায়িত্ব নেই ? তাই ঔষধ ছাড়া এই বন্ধুটিকে ভালো রাখতে হলে , জানা থাকলেও আর একবার অনুগ্রহ করে দেখুন আমাদের কি করা উচিৎ

ভাল রাখতে হলে :

  1. মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস নেওয়া উচিত যার ফলে প্রচুর বাতাস শরীরের ভিতর প্রবেশ করতে পারে এবং পুরোটাই আস্তে আস্তে বের করে দেওয়া ভাল দিনের মধ্যে কয়েকবার এরকম করলে লান্গ্স খুব ভাল থাকবে

  2. হাত দুটোকে যতটা সম্ভম দূরে সরিয়ে বুকটাকে প্রসারিত করে নিশ্বাস নেওয়া

  3. নিশ্বাস নেওয়ার সময় মুখের পেশী একদম সাধরণ অবস্থায় থাকবে

  4. টিভি দেখার সময়ে , ফেসবুক বা whatsapp করার সময়ে মানে বলতে চাচ্ছি যে কোন সময়েই হালকা স্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা যায়

  5. মাঝে মাঝে মুখে জলের ছিটা দিলে হৃদস্পন্দন কম হয়

  6. সাঁতার কাটা লান্গ্সের পক্ষে খুব ভাল

  7. বেলুন ফুলানো, শাঁক বাজানো লান্গ্সের পক্ষে খুব ভাল ব্যায়াম

  8. নাকের উপর হালকা টিসু পেপার রেখে প্রশ্বাসের মাধ্যমে তাকে দূরে পাঠনোর চেষ্ঠা করা একটা ভাল ব্যায়াম

  9. যত উচ্চ স্থানে (high altitude) হাঁটা যাবে লান্গ্স তত মজবুত হবে কারণ যত উপরে যাবে তত অক্সিজেনের মাত্রা কম হবে

  10. আর পরিশেষে খুব জোরের সাথে বলতে হয় ধুমপান থেকে যতটা সম্ভব নিজেকে দূরে রাখা যায় লান্গ্সের পক্ষে তত ভালো

 

রক্তে শর্করা বা BLOOD SUGAR/উপসর্গ বা Symptom/ভাল থাকতে হলে/খাবারের ভাল বিকল্প (best option)/খাবারের খারাপ বিকল্প (worst option)/ Example of Diabetes Diet

Diabetic

পেটের ( Stomach) কাছে অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে ইন্সুলিন নামক হরমোন বের হয় রক্তের মধ্যে, রক্তে শর্করার ( Glucose) মাত্রা অনুযায়ী খাবার পরিপাক হওয়ার পর যে শর্করা পাওয়া যায় সেটাকে কোষের মধ্যে পাঠাতে ইন্সুলিন সাহায্য করে ,কোষের এনার্জি বা শক্তি বৃদ্ধি করতে

যখন শরীর ঠিকমতো ইন্সুলিন তৈরী করতে পারে না তখন সেটাকে টাইপ ওয়ান ডাইবেটিস বলে আবার যখন ইন্সুলিন তৈরী হয় কিন্তু ঠিকমতো কাজ করে না তাকে টাইপ টু ডাইবেটিস বলেতার ফলে শর্করা বা Glucose রক্তেই থেকে যায় , কোষের মধ্যে যথেষ্ট পরিমানে যেতে পারে না তখন তাকে high blood sugar বা রক্তে উচ্চ শর্করা বলে

যখন খাবার, শরীরচর্চা এবং ইন্সুলিনের ভারসাম্য ঘটে তখন শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রার বৃদ্ধি ঘটে সুতরাং যাদের ডাইবেটিস আছে তাদের ঠিকমতো খাবার,শরীর চর্চা ও ঔষধের(যদি ডাক্তার দিয়ে থাকে) মাধ্যমে নিজেকে ঠিক রাখতে হবে

যাদের ডাইবেটিস আছে তাদের সারাদিনে ও রাত্রে রক্তে শর্করার পরিমাপ ব্যাপকভাবে পরিবর্তন হয় রক্তে শর্করার পরিমান ৯0 থেকে ১৩0 mg/dl খাওয়ার আগে এবং খাওয়ার ১ বা ২ ঘন্টার মধ্যে ১৮0 mg/dl অবধি ঔষধের খুব একটা দরকার হয় না

বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেছে, যেসব কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স বা Glycemic Index বেশি থাকে, সেইসব কার্বোহাইড্রেট রক্তে তাড়াতাড়ি মিশে গিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় আর যেসব কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে গ্লায়সেমিক ইনডেক্স বা Glycemic Index কম বা মাঝারি থাকে তারা রক্তে তাড়াতাড়ি মিশে গিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে না সুতরাং গ্লায়সেমিক ইনডেক্স বেশি কার্বোহাইড্রেট আর গ্লায়সেমিক ইনডেক্স কম কার্বোহাইড্রেট একসাথে মিশিয়ে খেলে গ্লায়সেমিক লোড কম হয়

উপসর্গ বা Symptom :

  • দেখে মনে হয় শুকনো মূখ

  • মাঝে মাঝে জল তেষ্টা পাওয়া

  • মাঝে মাঝেই পেচ্ছাবের বেগ হওয়া

  • রাত্রে পেচ্ছাবের বেগ বেশি হওয়া

  • চোখের দৃষ্টি ঝাপসা লাগা

  • চামড়ায় মাঝে মাঝে চুলকানি আর অনেকদিন ধরে চামড়ার সংক্রমন যেমন ফোড়া

  • অকারণে ক্লান্তি বোধ করা

  • শরীরের ওজন কমে যাওয়া

  • খাওয়ার ইচ্ছার বৃদ্ধি

  • হাতে বা পায়ে অসাড় ভাব বা ব্যথা

  • পায়ের পাতায় ঘা যা সারতেই চায় না

  • জ্ঞান হারানো ভয় থাকে

অনেক সময় উপসর্গ বোঝা যায় না

ভাল থাকতে হলে:

  • প্রতিদিন শারীরিক পরিশ্রম কমপক্ষে ৩0 থেকে ৪৫ মিনিট

  • যেসকল কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে শর্করার পরিমান বেশি থাকে সেগুলো কম খাওয়া সারাদিনে ভাত ১00 থেকে ২00 গ্রাম শারীরিক পরিশ্রম করলে, নতুবা ৫0 গ্রাম

  • তন্তুযুক্ত ফল ও ঘন সবুজ শাক সবজী যতটা বেশি খাওয়া যায়

  • চিনি ও মিষ্টি যত কম খাওয়া যায়

  • ডাল,দুধ,ডিম,ওটস্,বিন,বরবটি,ব্রোকলি,আপেল,লেবু,গাজর,রসুন,তরমুজ,বাদাম,পেঁয়াজ,টমাটো,তৈলাক্ত মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস ডাইবেটিসের উত্তম খাদ্য

  • ম্যাগনেসিয়াম যুক্ত খাবার কারণ ম্যাগনেসিয়াম ইনসুলিন তৈরী করতে সাহায্য করে. যেমন বাঁধাকপি , বাদাম , আলু ইত্যাদি

  • গ্রীন টি খাওয়া ভাল

  • এসিডিক খাবার যেমন লেবু খাওয়া

  • প্রোটিন একটু বেশি খেতে হবে

  • পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন

  • বেশি রাত করে খাবার না খাওয়াই শ্রেয়

  • প্রচুর পরিমানে পরিশ্রুত জল পান করতে হবে

  • অনেকক্ষণ এক জায়গায় না বসে মাঝে মাঝে একটু চলাফেরা করা

যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য প্রধানত দুটো জিনিসের দিকে একটু বেশি নজর দিলে ঔষধ খাওয়ার সম্ভবনা কম থাকে

  1. শারীরিক পরিশ্রম

  2. সঠিক আহার

যাদের শুধু ডায়াবেটিস আছে, তাদের ওজনের সাথে ২৪ দিয়ে গুন করলে যে সংখ্যাটা আসে তত ক্যালোরি খাবার খাওয়া উচিত  অন্য কোন অসুবিধা না থাকলে ক্যালরির ৫০% আসবে কার্বোহাইড্রেট থেকে , ৩০% আসবে প্রোটিন থেকে এবং ২০% আসবে ফ্যাট থেকে । ব্যাক্তি বিশেষে পরিবর্তন হতেই পারে । 

সব খাবারই খাওয়া যেতে পারে কিন্তু যে খাবার ডায়াবেটিস বাড়াতে সাহায্য করে , খুব ইচ্ছা করলে সেটা সামান্য পরিমানে কোন খাবার ডায়াবেটিসের পক্ষ্যে ভালো আর কোনটা খারাপ সেটা জানা খুব প্রয়োজন আমরা জানি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে কেবলমাত্র কার্বোহাইড্রেট যদিও কার্বোহাইড্রেট আমাদের শরীরের জন্যে খুব প্রয়োজন শ্বেতসার , শাক সবজি , ফল সব কিছুর মধ্যেই কার্বোহাইড্রেট আছে সুতরাং আমাদের জানা দরকার কোন জাতীয় খাবারের মধ্যে থাকা কার্বোহাইড্রেট ডায়াবেটিসের পক্ষ্যে ভালো বা খারাপ

শ্বেতসারের মধ্যে থাকা কার্বোহাইড্রেট :

ভাল বিকল্প (best option) : গোটা শস্য (whole grain) যেমন ব্রাউন রাইস , ওট মিল , বাজরা , ভুট্টা , গমের আটা , মোটকথা গোটা শস্য দিয়ে যা বানানো , সেঁকা মিষ্টি আলু ইত্যাদি ।

খারাপ বিকল্প (worst option) : প্রক্রিয়াজাত শস্য (processed grains) যেমন সাদা চাল,ময়দা প্রভৃতি , সেরিয়ালস (cereals)যার মধ্যে মিষ্টি বেশি থাকে , সাদা রুটি বা পাওরুটি , ভাজা খাবার , কেক,সোডা,কুকিস,ক্যান্ডি, জুস(প্রক্রিয়াজাত)ইত্যাদি ।

শাক সবজির মধ্যে থাকা কার্বোহাইড্রেট :

প্রথমেই মনে রাখতে হবে যে শাক সবজি থেকে আমরা প্রচুর পরিমানে ফাইবার বা তন্তু পাই যেটা শরীরের জন্য ভাল .কম পাই ফ্যাট লবন (যদি না বাইরে থেকে যোগ করা হয় )।

ভাল বিকল্প best option) :তাজা শাক সবজি কাঁচা , হালকা আঁচে সিদ্ধ , ঝলসানো বা গ্রিল করা খেলে ভাল  গাঢ় রঙের শাক সবজি আরো ভালো কম সোডিয়াম বা সোডিয়াম ছাড়া ক্যানের মধ্যে রাখা শাক সবজি. বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী প্রতিদিন আড়াই কাপ করে শাক সবজি খাওয়া উচিত।

খারাপ বিকল্প (worst option) : সোডিয়াম যুক্ত ক্যানের মধ্যে রাখা শাক সবজি বেশি লবন, মাখন,চিস ,বা সস দিয়ে রান্না করা শাক সব।

ফলের মধ্যে থাকা কার্বোহাইড্রেট :

মনে রাখতে হবে ফলের থেকে আমরা কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার , ভিটামিন , মিনারেল সব পাই. বেশি ভাগ ফলের মধ্যেই ফ্যাট লবন কম থাকে কিছু ফলের মধ্যে শাক সবজির থেকেও বেশি কার্বোহাইড্রেট থাকে সেগুলো কম খাওয়া ।

ভাল বিকল্প best option) : তাজা ফল বা সাধারণ হিমায়িত ফল , চিনি ছাড়া ক্যানের মধ্যে রাখা ফল , কম বা বিনা চিনি যুক্ত জ্যাম বা জেলি , কম বা বিনা চিনি যুক্ত ফলের চাটনি , চিনি ছাড়া ফলের রস ।

খারাপ বিকল্প (worst option) : চিনি যুক্ত ক্যানের মধ্যে রাখা ফল , বেশি মিষ্টি দেওয়া জ্যাম , জেলি , মিষ্টি চাটনি , প্রক্রিয়াজাত ফলের রস

সুতরাং পরিকল্পনা মাফিক খাবার আর পরিশ্রম রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে

Example of one of the Diabetes Diet (1600 Kcal/ Calories )

BREAKFAST (350 Kcal):

  • Tea & Biscuit -25 Kcal
  • Chapati 3 Pcs 60 gm atta -200 Kcal
  • Milk 90 ml -50 Kcal
  • Green Vegetable – 50 Kcal
  • Oil (1 tsp.) – 50 Kcal

LUNCH (600 Kcal) :

  • Rice (2Bati Rice @ 100 gm each) -200 Kcal
  • Dal (30 gm) – 100 Kcal
  • Egg (2 Pc) / Rajma ( 300 gm) /Fish (90 gm)/ Chicken (90 gm) – 100 Kcal
  • Green Vegetable – 100 Kcal
  • Curd / Dahi (100 gm) – 50 Kcal
  • Oil (1 tsp) – 50 Kcal

EVENING TIFFIN (150 Kcal) :

  • Fruit Salad (75 gm) – 75 Kcal
  • Biscuit (2 Pcs) – 25 Kcal
  • Milk (90 ml) – 50 Kcal

DINNER (500 Kcal):

  • Chapatti (3 Pcs ) – 200 Kcal
  • Dal ( 30 gm) – 100 Kcal
  • Milk (90 ml) – 50 Kcal
  • Green Vegetable – 100 Kcal
  • Oil (1 tsp) – 50 Kcal

কিভাবে বাড়িকে এবং নিজেকে জীবানু মুক্ত রাখতে হয়

house

আমরা প্রায় সবাই আমাদের নিজের বাড়িকে পরিস্কার সুন্দর রাখতে চাই পরিস্কার রাখা মানে যে  জীবানু মুক্ত বাড়ি , তা কিন্তু নয় বাড়িকে জীবানুমুক্ত রাখতে বেশি খরচ হয় না বা বেশি সময়েরও প্রয়োজন নেই বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী বাড়ির ৬টা জায়গায় বিশেষ নজর দিলে বাড়িকে পরিস্কার জীবানু মুক্ত রাখা যায়

  1. রান্নাঘর বা Kitchen: রান্নাঘরে প্রচুর জীবানু বাসা বাঁধতে পারে যদি যে জায়গার উপর রান্না করা হয় , সিন্ক বা যেখানে সব ধোয়া হয় , স্পঞ্জ বা যা দিয়ে বাসন ধোয়া হয় , যা দিয়ে রান্না করতে করতে হাত মোছা হয় , যে কাপড় দিয়ে রান্নাঘর পরিস্কার করা হয় , রান্নাঘরে রাখা যে পাত্রে উছিস্ট সব ফেলা হয় ঠিকমত পরিস্কার না করা হয় প্রতিদিন সাবান জলে ভালো করে পরিস্কার করা সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন জীবানু প্রতিরোধকারী দ্রবণ ব্যবহার করা উচিত এক চা চামচ ব্লিচের সাথে জল মিলিয়ে সিন্কের মধ্যে ফেললে নালী ঠিকমত পরিস্কার হয়ে যাবে

  2. শাক সবজি কাটার পাটা বা Cutting Board : কাঁচ বা প্লাস্টিকের বোর্ড ব্যবহার করা উচিত কারণ এগুলোতে নীরন্ধ্র বা non porous হয় ব্যবহারের পর সাবান জল এবং গরম জলে ধুয়ে নেওয়া উচিত ব্লিচের সাথে জল মিশিয়ে মিশ্রন তৈরী করে মাঝে মাঝে এই মিশ্রণ দিয়ে ধোয়ার পর গরম জলে ধুয়ে নিলে পুরোপুরি জীবানু মুক্ত হয় কারণ জীবানু লুকিয়ে থাকতে পারে ছুরি দিয়ে কাটার ফলে যে খাঁজ তৈরী হয় তার মধ্যে

  3. দাঁত মাজার ব্রাস বা Tooth Brush : দাঁত মাজার পর ভালো করে ব্রাশ ধুয়ে শুকনো বন্ধ কিছুর মধ্যে রাখা উচিত কারণ খোলা জায়গায় রাখলে যে কোনো মুহূর্তে জীবানু বাসা বাঁধতে পারে

  4. ইলেক্ট্রনিক জিনিষ বা Electronic items : যে সব ইলেক্ট্রনিক জিনিষ যেমন মোবাইল ফোন , কম্পুটারের মাউস বা কিবোর্ড মানে যেগুলো খুব বেশি ব্যবহার করা হয় সেগুলো সবসময় পরিস্কার শুখনো রাখা উচিত যাতে জীবানু বাসা বাঁধতে না পারে

  5. স্নানঘর টয়লেট বা Bathroom and Toilet : এই দুটো ভালো করে সবসময় পরিস্কার রাখা উচিত কারণ এরা জীবানুর আঁতুর ঘর

  6. জুতো বা Shoes : জুতোর সাথে যে জীবানু আসে তাকে ঘরের বাইরে রাখা ভালো জুতো দরজার বাইরে খুলে পা পরিস্কার করে ঘরে ঢোকা উচিত

  7. সকালে ঘুম থেকে উঠে মলত্যাগ করার পর আর খাওয়ার বা খাবার তৈরী করার আগে সবসময় সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে হাত ধোবার জন্য মাটি বা কাদা ব্যবহার করা কখন উচিত নয়

  8. প্রায়ই স্নান করা উচিত বিশেষ করে গরম কালে রোজ কঠিন পরিশ্রমের পর বা ঘেমে যাওয়ার পর অবশ্যই স্নান করা উচিত প্রতিদিন ভালো করে স্নান করলে চামড়ার সংক্রমন , খুসকি , ব্রণ ,চুলকানি আর rash এড়ানো যায়

  9. যে সব অঞ্চলে বেশি হুকওয়ার্ম আছে সেখানে খালি পায়ে ঘোরা একদম উচিত নয় কারণ এই ক্রিমিগুলো পায়ের পাতার চামড়া দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে  হুকওয়ার্মের সংক্রামন থেকে সাংঘাতিক রক্তাল্পতা হয়

  10. প্রতিদিন আর প্রতিবার মিষ্টি খাওয়ার পর দাঁত মাজা উচিত টুথব্রাশ আর পেস্ট যদি না থাকে তাহলে লবন আর খাওয়ার সোডা দিয়ে দাঁত পরিস্কার করে নেওয়া যেতে পারে

  11. বাড়ির পোষা জন্তুদের যদি জীবানু মুক্ত না করা থাকে তাহলে কখনই তাদের চাটতে বা বিছানায় ওঠতে দেওয়া উচিত নয়

  12. যদি বাড়ির কাছে ছোটরা বা কোনো পশুপাখি মলত্যাগ করে , তখনি সেটা পরিস্কার করা উচিত ছোটদের ধীরে ধীরে পায়খানা ব্যবহার করা শেখানো উচিত

  13. চাদর আর কম্বল প্রায়ই রোদে দেওয়া উচিত যদি বিছানায় ছারপোকা থাকে তবে একই দিনে ফুটন্ত গরম জলে খাট , চাদর আর কম্বল কেচে ফেলা উচিত

  14. উকুন থাকলে সাথে সাথে চিকিত্সা করানো উচিত

  15. মাটিতে থুতু ফেলা উচিত নয় কারণ থুতু থেকে রোগ ছড়াতে পারে কাশবার বা হাঁচবার সময় মুখটা নিজের হাত বা রুমাল দিয়ে ঢেকে নেওয়া উচিত

  16. মেঝে , দেওয়াল আসবাব পত্রের নিচটা ভালো করে পরিস্কার রাখা উচিত যদি দেওয়ালে বা মেঝেতে কোনো গর্ত থাকে তাহলে যত তারাতারি সম্ভব বুজিয়ে ফেলা উচিত কারণ গর্তে নানারকম পোকা মাকড় লুকিয়ে থাকতে পারে

  17. পোকা মাকড় দূর করতে কাঁচা বাড়ি নিয়মিত কাদা দিয়ে নিকিয়ে নেওয়া উচিত

  18. পরিস্কার জল সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকলে সব জলটাই খাবার আগে ফুটিয়ে নেওয়া সবথেকে ভালো ফোটানো জল সবসময় পরিস্কার পাত্রে ঢাকা দিয়ে রাখা উচিত

  19. মাছি বা অন্য পোকামাকড় খাবারে বসতে বা ঘুরে বেড়াতে দেওয়া ঠিক নয় কারণ এইসব পোকামাকড় জীবানু নিয়ে আসে আর রোগ ছড়ায় খাবার ঢেকে রেখে বা জালের আলমারিতে রেখে পোকামাকড় থেকে রক্ষা করা উচিত খাবার খাওয়া হয়ে গেলে বাসন ধুতে না পারলে শুধু জল দিয়ে ধুয়ে রাখা উচিত তা না হলে টুকরো খাবারে মাছি আসে এবং জীবানু জন্মায় ।

  20. চেষ্টা করা উচিত আ-ঢাকা খাবার কখনো না খাওয়া ।

  21. খাবার আগে সবসময় তরিতরকারি ফল ভলো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত।

  22. বাসি দুর্গন্ধযুক্ত খাবার না খাওয়া টিন ফুলে গেলে বা কাটবার সময় তার থেকে পিচকারি দিয়ে কিছু বেরোলে সেই টিনের খাবার খাওয়া উচিত নয়

রোগ নির্ধারণের জন্য পরীক্ষা বা Medical Check up

medical check up

অসুখ করলে বা কোনো অসুবিধা হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই এবং ওনার পরামর্শ মতো কিছু পরীক্ষা আমরা করি দরকার ছাড়া আমরা শরীরের জন্য কোনো পরীক্ষা করাই না কারণ অনেকের মধ্যেই একটা ভয় কাজ করে এছাড়া খরচার কথাও আমরা চিন্তা করি. পাঁচ বছরে একবার করে রক্ত পরীক্ষা আর রক্ত চাপ পরীক্ষা করলে শরীর সমন্ধে জানা যাবে অনেক, খরচাও খুব বেশি লাগে না সবচেয়ে বড় কথা ভবিষ্যতের অনেক খরচা বাঁচিয়ে দিতে পারে সামান্য কটা পরীক্ষা ঠিক সময়ে চিকিৎসা করলে অনেক কঠিন রোগ থেকে বাঁচা যায় এবং ভবিষ্যতের বড় খরচার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায় নিম্নলিখিত পরীক্ষার মাধ্যমেই শরীর সমন্ধে প্রায় সবই জানা যায় () ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞ দ্বারা শারীরিক পরীক্ষা বা Physical Examination () রক্ত পরীক্ষা বা Blood test () পেচ্ছাবের পরীক্ষা বা Urine Examination () পায়খানা পরীক্ষা বা Stool Examination () .সি.জি বা ECG () চোখের পরীক্ষা বা Eye test () কানের পরীক্ষা বা Ear test (8) এক্স রে এবং স্ক্যান বা X-ray and Scan

যাদের বয়স ৪০ বছরের বেশি তাদের দু বছরে একবার অবশ্যই শরীরের পরীক্ষা করানো উচিত পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা শরীরের প্রতিটি সিস্টেমের কাজকর্ম সমন্ধে বিশদভাবে জানতে পারি কোন সিস্টেমের জন্য কি পরীক্ষা সেটাও নীচেমোটামুটি জানানো হলো

কার জন্য কি পরীক্ষা
উচ্চতা,ওজন,রক্ত চাপ, চোখ কানের প্রাথমিক অবস্থা HEIGHT, WEIGHT, BODY MASS INDEX, BLOOD PRESSURE, VISUAL ACUITY, COLOUR VISION, HEARING TEST RINNE’S AND WEBER’S, BODY FAT MONITOR শারীরিক পরীক্ষা বা PHYSICAL EXAMINATION
হার্টের অবস্থা বা CARDIAC SYSTEM RESTING ECG, TRADMILL STRESS TEST AND 2D ECHO , CHEST X RAY
কিডনির অবস্থা বা RENAL OR KIDNEY (BUN (BLOOD UREA NITROGEN), CREATINE, ELECTROLYTES, URIC ACID, SODIUM CHLORIDE , POTASSIUM ) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST এবং পেচ্ছাবে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বা

CALCIUM LEVEL IN URINE, ইত্যাদি

শ্বসনতন্ত্র বা RESPIRATORY SYSTEM PULMONARY FUNCTION TEST
চোখ,নাক,গলা বা ENT AUDIOMETRY
কোলেস্টেরল বা CHOLESTEROL OR LIPID LEVELS(LDL, HDL, VLDL AND TRIGLYCERIDES), রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
ডায়বেটিস বা DAIBETES: FBS(FASTING BLOOD SUGAR), PPBS(POST PRANDIAL BLOOD SUGAR), MEAN BLOOD GLUCOSE CONC) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
রক্ত সমন্ধীয় বা HEMOGLOBIN COUNT, DIFFERENTIAL COUNT OF POLYMORPHS, LYMPHOCYTES, EOSINOPHILS, MONOVYTES, BASOPHILS, PLATELETS, BLOOD GROUP, HB, VIT.B12, CBC, ESR AND রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
লিভারের অবস্থা বা LIVER FUNCTION TEST (TOTAL PROTEIN, ALBUMIN, GLOBULIN, BILIRUBIN, ALKALINE PHOSPHATASE, GAMMA GT, SGOT/AST, SGPT/ALT ETC) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
কর্কট রোগ বা CANCER MAKERS PROSTATE SPECIFIC ANTIGEN (PSA)FOR MEN , ALPHA-FETOPROTEIN(LIVER), EBV FOR NPC
হাঁড়ের অবস্থা বা BONE METABOLISM (CALCIUM, PHOSPHATE) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
গর্ভাবস্থা বা PREGNANCY URINE AND BLOOD TESTS
হেমাটোলজি বা HAEMATOLOGICAL TESTS (ABO&RH(D)TYPING COMPLETE BLOOD COUNT, IRON, BLOOD FILM) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
বাত বা ARTHRITIES SCREENING (URIC ACID(GOUT), RHEUMATOID FACTOR) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
থাইরয়েড বা THYROID FUNCTION (T3, T3RU, T4, THYROID STIMULATING HORMONE(TSH) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
এন্টিবডি বা SEROLOGY (VDRL) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
হেপাটাইটিস বা HEPATITIS STATUS (HEPATITIS A ANTIBODY TOTAL HEPATITIS BS ANTIGEN, HEPATITIS BS ANTIGEN, HEPATITIS BS ANTIBODY) রক্ত পরীক্ষা বা BLOOD TEST
পেচ্ছাব বা URINE ANALYSIS (URINE ROUTINE) পেচ্ছাবের পরীক্ষা বা URINE TEST
পায়খানা বা STOOL (OCCULT BLOOD, STOOL ROUTINE, PEPTIC ULCER BACTERIA TEST) পায়খানার পরীক্ষা বা STOOL TEST
লান্গ্সের অবস্থা বা LUNG FUNCTION ভায়টালোগ্রাফ বা VITALOGRAPH
মেরুদন্ড এবং নিতম্ব বা OSTEOPOROSIS (SPINE AND HIP) এক্সরে বা স্ক্যান বা DEXA

চোখ বা EYE/দাঁত বা Teeth — ঔষধ ছাড়া ভাল রাখতে হলে

eye

চোখ আমাদের শরীরের একটি প্রধান অঙ্গ জগতের সবকিছুর সাথে আমাদের পরিচিত করছে এই চোখ সবকিছু ভালোভাবে দেখতে হলে চোখকে সবসময় সুস্থ রাখতে হবে নিম্নলিখিত সামান্য কটা নিয়ম মানলেই চোখকে ভালো রাখা যাবে যেমন :-

  1. প্রথমে জানতে হবে পারিবারিক ইতিহাস কারো চোখের কোন কঠিন রোগ ছিল কিনা

  2. যদি থাকে তাহলে একটু অতিরিক্ত খেয়াল রাখতে হবে

  3. পরিস্কার কাপড় দিয়ে নতুবা হাত ভাল করে ধুয়ে চোখ ধরা উচিত

  4. ২০ ২০২০ নিয়ম মেনে চলা প্রতেক ২০ মিনিট অন্তর ২০ ফুট দূরে ২০ সেকেন্ডের জন্য তাকানো চোখের চাপ না বাড়তে এই নিয়ম খুব সাহায্য করে

  5. ঠান্ডা জল দিয়ে মাঝে মাঝে চোখ পরিস্কার করা এবং চোখকে ঠান্ডা রাখা

  6. রোদে বেরোনোর সময় চোখকে রোদ লাগতে না দেওয়া যেমন স্নান্গ্লাস পরা যেটা আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে চোখকে বাঁচাতে পারে

  7. স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা

  8. চোখের দৃষ্ঠি ঠিক রাখতে সঠিক খাবার খেতে হবে লাল নটে , পালং , সজনে ,গাজর, ঘন সবুজ রঙের শাক সবজি ,পেপে , আম , মাছ (প্রচুর পরিমানে ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড আছে ) চোখের জন্য উপকারী ভিটামিন যুক্ত খাবার রাতকানা হওয়া এড়ানো যায়

  9. ধুমপান থেকে বিরত থাকা

  10. ডায়বেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা

  11. প্রয়োজন না থাকলেও যাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ তাদের থেকে ১০ বছরের এর মধ্যে , ৪০ থেকে ৬৫ যাদের তাদের থেকে বছরের মধ্যে এবং যাদের বয়স ৬৫টির উপরে তাদের থেকে বছরের মধ্যে কমপক্ষে একবার চোখ পরীক্ষা করানো উচিত

  12. ১৯ ঘন্টার বেশি একটানা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার না করা দিনের শেষে কন্টাক্ট লেন্স খুলে রাখা উচিত

  13. রাত্রে শোয়ার আগে চোখের মেকআপ পরিস্কার করা

  14. রাত্রে শোয়ার আগে ঠান্ডা শসার টুকরো চোখের উপরে রাখলে চোখ ফোলা কমে

  15. কম্পিউটার কাজ করার সময় চোখ আর কম্পুটারের পর্দা একই উচ্চতায় থাকলে চোখের চাপ কম পরে

  16. কম্পিউটার মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সময় চোখের পাতা কম পিটপিট করে প্রতেক ৩০ সেকেন্ড বাদ চোখের পাতা পিটপিট করানো উচিত

  17. শোয়ার আগে পরিস্কার জলে চোখ ধোয়া খুব ভালো তাতে সারাদিনের জমা ধুলো ময়লা পরিস্কার হয়ে যায়

  18. কাজল পরার সময় প্রতেকের জন্য আলাদা আঙ্গুল বা কাঠি ব্যবহার করা উচিত এবং পরবার পর কৌটাটা ঢাকা দিয়ে রাখা উচিত যাতে ধুলো না পড়ে

  19. চোখে ময়লার কণা পড়লে পরিস্কার জল ঢেলে বা পরিস্কার কাপড়ের কোনা বা ভিজে তুলোর আগা দিয়ে চোখ থেকে ময়লার কণা সড়িয়ে ফেলা উচিত

teeth

দাঁত যেমন খেতে সাহায্য করে তেমন মুখের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে যে দাঁতের ব্যথা উপলব্ধি করেছে সে জানে দাঁত কি জিনিস দাঁতের ব্যথায় ভুগতে না হলে কটা নিয়ম পালন করতে হবে , যেমন :-

  1. সকলে রাত্রে দাঁত মাজা বা ব্রাশ করা দাঁতের সব দিক ভাল ভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্রাশ করা

  2. তিন মাস অন্তর ব্রাশ পাল্টানো উচিত যদি ব্রাশের আগা ভেঙ্গে গিয়ে থাকে তাহলে তিন মাস আগেই পাল্টানো উচিত

  3. খাওয়ার পর মুখের ভিতরটা acidic বা অম্লীয় হয়ে যায় যার ফলে দাঁতের এনামেল অস্থায়ীভাবে নরম হয়ে যায় , তখন ব্রাশ করা উচিত নয় কমপক্ষে খাওয়ার ৩০ মিনিট পর ব্রাশ করা উচিত

  4. ফ্লোরাইড দাঁতের এনামেলকে রক্ষা করে ঠিক কথা কিন্তু ১০০০ ppm এর নীচেফ্লোরাইড থাকলে কোন কাজই হয় না তাই পেস্ট কেনার আগে দেখে নেওয়া ফ্লোরাইড ১৩৫০ থেকে ১৫০০ ppm আছে কিনা

  5. দুটো দাঁতের মধ্যেখান ভালোভাবে পরিস্কার করা উচিত কারণ এর মধ্যেই খাবার থেকে জীবানু জন্মায়

  6. ব্রাশ করার পর যে মাউথ ওয়াসে ফ্লোরাইড আছে তা দিয়ে কমপক্ষে মিনিট মুখে রেখে ফেলে দেওয়া উচিত কারণ তাহলেই মূখ জীবানু শুন্য হয়ে যাবে এই মাউথ ওয়াস দাঁতের সমস্ত এনামেলকে পরিস্কার করতে পারবে

  7. / চামচ লবন গরম জলে মিশিয়ে ঘরেই মাউথ ওয়াস তৈরী করা যায়

  8. শুধু দাঁত পরিস্কার করলেই তো মুখ পরিস্কার হয় না তাই জিবও পরিস্কার করা আবশ্যক

  9. ধুমপান থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়

  10. মিষ্টি বা আঠালো জাতীয় খাবার খাওযার পর অবশ্যই মুখ ভালোভাবেই পরিস্কার করা উচিত

  11. মদ্যপান এনামেলের ক্ষতি করে তাই মদ্যপান কম করাই উচিত

  12. আমলকি,কমলালেবু,পাতিলেবু,পেয়ারা,অন্কুর বেরানো ছোলা,টম্যাটো ইত্যাদি খাওয়া ভাল মাড়ি সুস্থ রাখার জন্য যে সব ভিটামিন দরকার সেগুলি এইসব খাবারে থাকে রাগি আর বাজরাতে যে ক্যালসিয়াম থাকে তা দাঁত শক্ত করে দুধও দাঁত শক্ত করতে সাহায্য করে

  13. টুথপেস্ট আর মাজন না থাকলে সমান পরিমাণ লবন আর খাবার সোডা মিশিয়ে দাঁতের মাজন তৈরী করা যায় ব্রাশটা ভিজিয়ে মাজন লাগালে মাজনটা ঝরে পড়বে না